Skip to main content

NewsHoursLive.Com

, ,

কৃষক,শ্রমিক,জনতা, মেহনতী মানুষের প্রতিনিধি জননেতা জনাব তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিবেদন

দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ষড়যন্ত্র ও সমালোচনার শিকার হয়েও থেমে যাননি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে, সংকট ও শোককে সামাল দিয়েও এগিয়ে চলেছেন তিনি।

সংকটকালে রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক কার্যক্রম দিয়েও সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তারেক রহমান। যদিও তিনি সেবামূলক কাজকে প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন না, তবুও অসংখ্য অসহায়, বৃদ্ধ, এতিম, ও পঙ্গু ব্যক্তির সহায়তায় নিয়োজিত আছেন।

বিএনপির নেতৃত্ব সামাল দিয়ে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজ নয়। তবুও তারেক রহমান এই দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে চলেছেন। সঙ্গত কারণেই মানবিক তারেক রহমানকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা।

সর্বশেষ ১ নভেম্বর চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে রাজধানী ঢাকার মিরপুর, সাভার ও উত্তরায় গুলিতে আহতদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এরআগেও কয়েক দফা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন এবং তাদের চিকিৎসা খরচের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। সম্প্রতি স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশেও দাঁড়ান তিনি।

তারেক রহমানের এসব মানবিক কর্মকাণ্ড, দৃঢ় নেতৃত্ব ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকার তাকে দেশের অন্যতম প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদে পরিণত করেছে।

জানা যায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গোপনে, নীরবে তিনি এসব মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। যারা সাহায্য বা সহযোগিতা পাচ্ছে তারাও জানতে পারেন না এটি তারেক রহমান করছেন। সাহায্যপ্রাপ্তরা সাধারণত জানেন, এ সহযোগিতা বিএনপি দিয়েছে।

তারেক রহমান মূলত ২০০৫ সাল থেকে আর্তমানবতার সেবায় জড়িত। বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, অসহায়দের সহায়তা, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা—এমন বহু কাজ তিনি নীরবে করে চলেছেন। তার তত্ত্বাবধানে বহু অসহায় পরিবার নতুন জীবন পেয়েছে, যা তার মানবিক ব্যক্তিত্বের সাক্ষ্য বহন করে।

বগুড়ার গাবতলী থানায় লাঠিগঞ্জের তিন মাথার মোড়ে এতিমদের জন্য একটি মাদ্রাসা পরিচালিত হয়। এ মাদ্রাসায় পড়া প্রায় সব শিক্ষার্থীর দৃষ্টিশক্তি নেই বা আংশিক আছে। এ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকও অন্ধ। তার উদ্যোগেই এ মাদ্রাসা করা হয়।বগুড়ার এ এতিমখানার মতো সারা দেশে আরও ৫টি এতিমখানার দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান। সারা দেশে ১৪৪টি পরিবারকে প্রতি মাসে ভাতা দিচ্ছেন তিনি।

ফেসবুকে তারেক খান নামে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, আন্দোলন থেকে শুরু করে আন্দোলন পরবর্তী চিকিৎসা, বিভিন্ন শহীদের পরিবারকে সাহায্য সব জায়গায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন তারেক রহমান। সত্যি বলতে আগে তার সম্পর্কে জানতাম না, যা জানতাম তা আওয়ামীরা যতটা বলতো সেটাই। ইদানীং তার বক্তব্য গুলো শুনতেছি। মনে হচ্ছে উনি দেশকে ভালো কিছু দিতে পারবেন। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে কি আসবেনা তা জনগণ বিচার করবে। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে মনে হচ্ছে তারেক রহমান দেশকে ভালো কিছু উপহার দিতে যাচ্ছেন। যদি কথা এবং কাজের সাথে মিল থাকে তাহলে আগামীর বাংলাদেশ সুন্দর ও বৈষম্যহীন হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ