বজ্রপাতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথেই না-ফেরার দেশে রাশেদ অপূর্ব রায়,

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিজাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশেদুল ইসলাম আর কখনও ফিরবেন না প্রিয় ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পথেই বজ্রপাতে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন তিনি।রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার জন্য কুমিল্লার উজানচর-ঘাঘুটিয়া খেয়া পার হচ্ছিলেন রাশেদ। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার সঙ্গে নৌকায় থাকা আরও দুই নারীও প্রাণ হারান।রাশেদুল ইসলাম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দুলালপুর ইউনিয়নের পাথালিয়াকান্দি গ্রামে।পড়াশোনার পাশাপাশি রাশেদ ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কুমিল্লা স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর বর্তমান সভাপতি। ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পায়ে হেঁটে যাত্রা করে ভ্রমণপিয়াসুদের নজর কাড়েন।রাশেদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। সহপাঠী ও শিক্ষকেরা তাকে স্মরণ করছেন ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায়।ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জিল্লুর রহমান পল বলেন—“রাশেদ আমাদের অত্যন্ত প্রিয় শিক্ষার্থীদের একজন। তার অকাল মৃত্যুতে আমাদের হৃদয় ছিঁড়ে গেছে। আমরা স্তব্ধ হয়ে আছি। সে আজ ক্যাম্পাসে ফিরছিল, কিন্তু আর ফেরা হলো না। এক অপার সম্ভাবনাময় তরুণ আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। তার পরিবারকে আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। যেকোনো সহযোগিতায় আমাদের বিভাগ তার পরিবারের পাশে থাকবে।”রাশেদের এই অকাল মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।


